WHISPER OF THE BLOOD MOON পর্ব_৬

WHISPER_OF_THE_BLOOD_MOON

{ 🔴 অতিরিক্ত রোমান্টিক ডার্ক এলার্ট 🔴 }
(🚫 অনুমতি ছাড়া কপি করা সম্পূর্ণ নিষেধ 🚫)
ক্রিমসনভেইলের রাজ্যে সন্ধ্যা নেমেছে রক্তচন্দ্র আবার উঠেছে আকাশে, যেন ড্রেভেনের রাগের মতো লাল হয়ে জ্বলছে। ঘরের ভিতরে আলো কম, শুধু মোমবাতির ফিকে আলোয় আয়জারার মুখটা ফুটে উঠেছে ভয়ে কাঁপা, কিন্তু সুন্দর। ড্রেভেন দাঁড়িয়ে আছে দরজার কাছে, তার চোখে এখন শুধু আগুন সারাদিন সে চেষ্টা করেছে ভালোবাসা দেখিয়েছে, কোমলতা দিয়েছে কিন্তু আয়জারার মুখে শুধু রেইভানের নাম।
**রেইভান… রেইভান… তোমার মুখে শুধু তার নাম** ড্রেভেনের গলা গর্জনের মতো, কিন্তু তার মধ্যে একটা অদ্ভুত রোমান্সের কোমলতা মিশে আছে। সে ধীরে ধীরে কাছে এলো, তার পা যেন মাটিতে না পড়ে, যেন ছায়ার মতো। আয়জারা পিছিয়ে গেল, তার পিঠ দেয়ালে ঠেকলো আয়জারার চোখে ভয়, কিন্তু ড্রেভেনের চোখে শুধু দাবি-অতিরিক্ত, অসহ্য দাবি।
তোকে এতো ভালোবাসার পরও তুই শুধু বেইমানকেই ভালোবাসিস‌,,তাকে চিরকাল ভালোবাসবি তাই না,, ড্রেভেনের রাগ দিগুন বেড়ে গেছে তার হাত আয়জারার গলায় চেপে ধরলো শক্ত, কিন্তু না মারার মতো। এটা তার ভালোবাসার শক্তি, যেন সে তার শিরায় নিজের রাগ ঢেলে দিচ্ছে। আমি তোকে আমার রক্ত দিয়েছি, আমার হৃদয় দিয়েছি আর তুই " তুই আমাকে ঘৃণা করিস আয়জারা আজ থেকে তোর ঘৃণাও আমার হবে তোর প্রতিটা শ্বাস আমার দাবিতে বাঁধা।
আয়জারা কাঁপতে লাগলো...আপনি… ছেড়ে দিন আমি শুধু রেইভানকে ভালোবাসি। চিরকাল… সে আমার আ… আপনি শুধু অন্ধকার। আয়জারার গলা কাঁপছে, চোখে অশ্রু জমছে। কিন্তু ড্রেভেনের মধ্যে এখন কোনো মায়া নেই শুধু রাগ, জোর, অধিকার। সে তাকে তুলে নিল বাহুতে-যেন কোনো খেলনা-এবং বিছানায় ছুঁরে ফেলে দিল। , আয়জারার হাত ড্রেভেন এর কব্জি দিয়ে শক্ত করে ধরে রাখলো।
অন্ধকার হ্যাঁ, আমি অন্ধকার আর তুই আমার আলো। কিন্তু আজ থেকে তোর আলো আমার আগুনে পুড়বে ,, তার ঠোঁট আয়জারার গলায় ডুবে গেল—চুমু নয়, কামড়। ধীরে ধীরে, কিন্তু গভীর। তার দাঁত তার ত্বকে চিহ্ন রেখে দিচ্ছে, যেন তার রক্তে নিজের নাম লিখছে। আয়জারা চিৎকার করতে চাইলো, কিন্তু তার মুখ তার হাতে চাপা পড়লো। **চুপ** তোর চিৎকারও আমার তোর কান্নাও আমার। আমি তোকে এত ভালোবাসি যে, তোর ব্যথাতে ও আমার আনন্দ হয়...
ড্রেভেন আয়জারার জামা ছিঁড়ে ফেললো-জোর করে, কিন্তু ড্রেভেন এর রক্তিম্ন লাল চোখে শুধু আগুন। ড্রেভেন এর হাত আয়জারার শরীরে চালাতে লাগলো—প্রতিটা স্পর্শে যেন তার দাবি আরো গভীর হচ্ছে। **দেখ মাই ফা*কিং স্কারলেট সাইরেন** তোর শরীর আমার জন্য তৈরি তোর প্রতিটা কোষ আমার নাম চিৎকার করছে ...রেইভান সে কে... তোর স্বপ্নে এখন শুধু আমার আগুন জ্বলবে তোর চোখে আমার ছায়া পড়বে—চিরকাল
আয়জারা প্রতিরোধ করতে চাইলো, তার পা ছোড়াতে চাইলো, কিন্তু ড্রেভেনের শক্তি অসীম। সে তার পা তার পায়ে চেপে ধরলো, তার বুকে মুখ ডুবিয়ে দিল—চুমু খেয়ে, কামড় দিয়ে, যেন তার ভালোবাসা আর রাগ মিশে এক হয়ে গেছে। “আমি তোকে জোর করে নেব, আমার স্কারলেট সাইরেন জোর করে তোর শরীরকে আমার করে নেব। কারণ তুই আমারতোর রক্তে আমার দাবি ,, তোর শ্বাসে আমার নাম " বল… বল রেইভানের নাম, যাতে আমার রাগ আরো বাড়ে, আর আমি তোকে আরো গভীরভাবে ভালোবাসি...
ড্রেভেন এর ঠোঁট আয়জারার ঠোঁটে চেপে ধরলো—একটা ভয়ংকর চুমু, যেন তার সবকিছু দখল করছে। আয়জারার শরীর কাঁপছে-ভয়ে, রাগে, কিন্তু কোথাও একটা অজানা টান
সে চোখ বন্ধ করলো, তার মনে রেইভানের ছবি—কিন্তু ড্রেভেনের স্পর্শ সবকিছু ধোয়া করে দিচ্ছে। সে জোর করে তার শরীরে প্রবেশ করলো—ধীরে নয়, শক্ত করে। প্রতিটা ধাক্কায় যেন তার রাগ আর ভালোবাসা মিশে যাচ্ছে। “আমার… স্কারলেট সাইরেন তুই শুধু আমার… চিরকাল, ড্রেভেন ফিসফিস করে বললো ....
ঘন্টার পর ঘন্টা চললো এই ভয়ংকর মূহূর্ত ড্রেভেনের রাগ কমেনি-বেড়েছে। ড্রেভেন আয়জারাকে জোর করে চুমু খেল, জোর করে স্পর্শ করল, জোর করে তার শরীরকে নিজের করে নিল। তার চোখে এখন শুধু অধিকার-কোনো মায়া নেই। “তোর স্বপ্নে আমি আগুন হয়ে জ্বলব তোর চোখে আমার ছায়া পড়বে। তুই রেইভানকে ভালোবাসিস
কিন্তু তোর শরীর আমার, তোর হৃদয় আমার, তোর সবকিছু আমার
আয়জারা শেষে চুপ করে পড়ে রইলো-ক্লান্ত, ভাঙা তার মনে এখনো রেইভান, কিন্তু ড্রেভেনের এই ভয়ংকর ভালোবাসা তাকে ঘিরে ফেলেছে। বাইরে রক্তচন্দ্র জ্বলছে, যেন তাদের এই অন্ধকারকে সাক্ষী দিচ্ছে....
চলবে.....
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url